সেন্ট মার্টিনে ভ্রমণে মানতে হবে ১২টি সরকারি নির্দেশনা
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৫, দুপুর ২:৫৫
![]() |
| ছবি: দেশ-বিশ্বের খবর |
দীর্ঘ নয় মাস বিরতির পর অবশেষে আগামীকাল ১ নভেম্বর থেকে আবারও পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন। তবে এই পর্যটন মৌসুমে প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটকই দ্বীপে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। দ্বীপের নাজুক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভ্রমণকারীদের অবশ্যই সরকার ঘোষিত ১২টি নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে পর্যটক যাতায়াত বন্ধ থাকার ফলে সেন্ট মার্টিনে পরিবেশের দৃশ্যমান পরিবর্তন ঘটেছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, দ্বীপটিতে বর্তমানে ১,০৭৬ প্রজাতির জীববৈচিত্র্য বিদ্যমান, যা গত কয়েক মাসে আরও উন্নত হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, আগে শীত মৌসুমে অতিরিক্ত পর্যটক ও মোটরচালিত যান চলাচলের কারণে সৈকতে শামুক-ঝিনুকসহ সামুদ্রিক প্রাণীর ক্ষতি হতো। তবে পর্যটকবিহীন সময়টিতে সৈকতে লাল কাঁকড়া ও ঝিনুকের বংশবিস্তার আবার বেড়েছে।
পরিবেশ সংগঠন ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি (YES)–এর চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক বলেন, “পর্যটক নিয়ন্ত্রণের ফলে দ্বীপের প্রকৃতি পুনরুদ্ধারের সুযোগ পেয়েছে। এখন সৈকতজুড়ে নতুন প্রাণের উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে, এমনকি কাছিমের ডিম পাড়ার নিরাপদ পরিবেশও ফিরে এসেছে।”
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. শাহিদুল আলম জানান, এবারের ভ্রমণ মৌসুমে নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। নিরাপত্তার কারণে এবার কক্সবাজার শহর থেকে সরাসরি পর্যটকবাহী জাহাজে সেন্ট মার্টিন যাতায়াতের ব্যবস্থা থাকবে, টেকনাফ রুট সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।
বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের উপপরিচালক মহিবুল ইসলাম জানান, পর্যটকদের অনলাইনে টিকিট ক্রয় করতে হবে ট্যুরিজম বোর্ডের স্বীকৃত ওয়েবসাইট থেকে। প্রতিটি টিকিটে থাকবে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোড, যা যাচাই না থাকলে টিকিট অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে।

কোন মন্তব্য নেই