সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন প্রস্তাব: সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার, ঈদ বোনাস দ্বিগুণের দাবি
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৫, দুপুর ১:৫৫
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
নবম বেতন কাঠামোর প্রস্তাবে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব।
বুধবার জাতীয় পে কমিশনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ)। সংগঠনটি জানায়, বর্তমান সময়ের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক সুবিধা পুনর্বিবেচনা করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
প্রস্তাবে আরও বলা হয়, ঈদ বোনাস দ্বিগুণ করা, বাড়ি ভাড়া ভাতা মূল বেতনের ৬০ শতাংশে উন্নীত করা, এবং এটি সকল গ্রেডের কর্মকর্তার ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য করার দাবি জানানো হয়েছে।
এছাড়া ফরেস্টারদের শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে তাদের ১০ম গ্রেড ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়। হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী ফরেস্টারদের প্রাপ্য সুবিধা কার্যকর করারও দাবি করেছে সংগঠনটি।
বিএফএ’র প্রস্তাবে আরও উল্লেখ করা হয়েছে—
- শিক্ষা ভাতা: এক সন্তানের জন্য ২,০০০ টাকা, দুই সন্তানের জন্য ৪,০০০ টাকা।
- চিকিৎসা ভাতা: মাসে ৫,০০০ টাকা।
- টিফিন ভাতা: মাসে ৩,০০০ টাকা।
- বৈশাখী ভাতা: মূল বেতনের সমান।
- বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট: ১০ শতাংশ।
- পেনশন সুবিধা: ১০০ শতাংশ।
তাদের আরও দাবি, বন অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা যাতে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ ঝুঁকি ভাতা পান, এবং দায়িত্ব পালনকালে আহত বা নিহত হলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হয়।
সবশেষে সংগঠনটি প্রস্তাব করেছে, প্রতি পাঁচ বছর পর পর নিয়মিত পে কমিশন গঠন করে মূল্যস্ফীতি ও ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতন ভাতা হালনাগাদ করা উচিত।

কোন মন্তব্য নেই